Header Ads Widget

দাঁতের দাগ দূর করার ৬টি অসাধারণ কা’র্যকরী প্রাকৃতিক প’দ্ধতি জে’নে নিন


দাঁতের দাগ দূর :–

 ধব ধবে সাদা দাঁত কার না পছন্দ বলুন? কিন্তু অনেকে সময় বিভিন্ন কারণে দাঁত হলুদ হয়ে যায় বা হলদেটে হলদেটে দাগ প’ড়ে যায়। প্রতিদিন নিয়ম করে দাঁত ব্রাশ করার পরেও হলেদে দাগ দূ’র হয় না। সাধারণ মানুষ হাসিতে পরিবর্তন আনার জন্য যে জিনিসটি নিয়ে সবচেয়ে বেশি ভাবেন তা হচ্ছে, নিজেদের দাঁত সাদা করা। এ প্র’তিবেদনে প্রাকৃতিক ভাবে দাঁত সাদা করার ৬টি প্রাকৃতিক পদ্ধতি উল্লেখ করা হলো।

১. বেকিং সোডা এবং লেবু:



হলুদ দাঁত সাদা করার উপায়গুলোর মধ্যে অন্যতম এবং কা’র্যকরী উপায় হল বেকিং সোডা এবং লেবুর রসের ব্যবহার। প্রথমে ৩০ গ্রাম বেকিং সোডার সাথে ১টি লেবুর রস মিশিয়ে নিন। দেখবেন মিশ্রনটি অনেকটা ফোমের মত হয়ে গেছে। কিছুক্ষণ অপেক্ষা করুন।

একটি তুলার বল বা টুথব্রাশে বেকিং সোডার মি’শ্রণটি লা’গান। এবার এটি দাঁতে ঘষুন। এভাবে এক মিনিটের জন্য রেখে দিন। তারপর পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। আপনি চাইলে লেবুর রসের পরিবর্তে পানি ব্যবহার ক’রতে পারেন। পানি ব্যবহার করলে ২-৩ মিনিট পর্যন্ত এটি দাঁতে রাখতে পারবেন। বেকিং সোডা এবং লেবুর রসের পেস্ট অতিরি’ক্ত ব্যবহারে দাঁত ক্ষয় হয়ে যেতে পারে। এবং এতে করে দাঁত ভেঙ্গে যাওয়ার মত স’মস্যাও দেখা দিতে পারে। তাই অতিরি’ক্ত ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকুন।

২. অ্যালোভেরা এবং গ্লিসারিন: 



টুথপেস্টটি তৈরি ক’রতে আধা কাপ বেকিং সোডা, ১ চা চামচ অ্যালোভেরা জে’ল, ৪ চা চামচ ভেজিটেবল গ্লিসারিন এবং ১ চা চামচ লেমন এসেনশিয়াল অয়েল মিশিয়ে নিন। এরপর এই মি’শ্রণ দিয়ে দাঁত ব্রাশ করুন। মুহূ’র্তেই পেয়ে যান সাদা, উজ্জল এবং সু’স্থ 


 ত্বক নিয়ে সমস্যা আমাদের সারা বছরই চলতেই থাকে। তবে এই সমস্যা শীতকালে খানিকটা বেড়ে যায়। ত্বক রুক্ষ শুষ্ক হয়ে ওঠার পাশাপাশি ত্বকের জৌলুস কমে যায়, ব্রণের সমস্যা দেখা দেয়, ত্বক প্রাণহীন হয়ে ওঠে। এমন ত্বক দেখতে কার ভালো লাগে বলুন তো?  বাজারচলতি বহু ক্রিম ব্যবহার করেও হয়তো এ ধরনের সমস্যা থেকে আমরা মুক্তি পাই না। কেননা আমাদের মধ্যে সকলেই একটি সুন্দর স্বাস্থ্যোজ্জ্বল ত্বকের অধিকারী হতে চাই। ত্বককে ভরপুর শীতেও যদি সুস্থ রাখতে চান তাহলে ব্যবহার করুন গ্লিসারিন। গ্লিসারিন বাজার চলতি অন্যান্য ময়েশ্চারাইজারের তুলনায় অনেকটাই প্রাকৃতিক উপাদান সমৃদ্ধ। এতে কোনো রকম কেমিক্যাল ব্যবহার করা হয় না, যার কারণে এটি ত্বকে সরাসরি প্রভাব বিস্তার করতে পারে। এটি ত্বককে কোনো ক্ষতি না করেই সুন্দর করে তোলে। মূলত উদ্ভিজ্জ উৎস থেকে প্রাপ্ত এক ধরনের বর্ণহীন ও গন্ধহীন প্রাকৃতিক উপাদান হওয়ায় এগুলি ত্বকে ব্যবহারের ফলে যাদের তৈলাক্ত ত্বকের সমস্যা রয়েছে তারাও যেমন উপকার পাবে, তেমনই যাদের রুক্ষ এবং শুষ্ক ত্বকের সমস্যা রয়েছে তারাও এটি তে উপকার পাবে। এর পাশাপাশি এটি ত্বককে পরিষ্কার করতে সহায়তা করে। যে কারণে মেকআপ তোলার ক্ষেত্রেও গ্লিসারিন ব্যবহার করা হয়ে থাকে। খুব সহজেই এর সাহায্যে মেকআপ তুলে ফেলা যায় এবং ত্বককে নরম এবং আর্দ্র করতে এটি সহায়তা করে। গ্লিসারিন শুষ্ক, স্বাভাবিক এবং তৈলাক্ত প্রত্যেক ধরনের ত্বকেই ব্যবহার করা যায়। এটিকে বিভিন্ন পদ্ধতিতে ব্যবহার করা হয়ে থাকে। তকে আশ্চর্যজনকভাবে বিভিন্ন সমস্যা গুলি নিরাময়ে করতে সহায়তা করে গ্লিসারিন। অনেকেই ভাবেন হয়ত গ্লিসারিন কেবল শুষ্ক ত্বকের উপযোগী। তবে এক্ষেত্রে ধারনাটা ভুল। এটি তৈলাক্ত ত্বকের ক্ষেত্রেও সমানভাবে উপযোগী। এটি প্রাকৃতিক উপাদান হওয়ায় এটি সংবেদনশীল ত্বকের ক্ষেত্রেও সমানভাবে কার্যকরী। আসুন তাহলে আজকের নিবন্ধ থেকে জেনে নিন গ্লিসারিনের নানান রকম গুনাগুন ও উপকারিতা এবং এর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া সর্ম্পকে।


গ্লিসারিন কি? গ্লিসারিনের উপকারিতা মুখে কিভাবে গ্লিসারিন ব্যবহার করবেন? চুলে কিভাবে গ্লিসারিন ব্যবহার করবেন?  গ্লিসারিন ব্যবহার করার আগে কি কি সর্তকতা অবলম্বন করতে হবে? গ্লিসারিন এর পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া

গ্লিসারিন কি?

গ্লিসারিন হল এক ধরনের উদ্ভিজ্জ তেল যা ১৭৭৯ সালে অলিভ অয়েল এর মিশ্রণ থেকে হঠাৎ করে পাওয়া যায়। এটি প্রাকৃতিক পণ্য হওয়ায় সব ধরনের ত্বকে সমানভাবে কাজ করে থাকে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কৃষি বিভাগের মতে গ্লিসারিন হলো এক ধরনের ট্রাই হাইড্রক্সি অ্যালকোহল। তবে গ্লিসারিনকে রাসায়নিক পণ্য হিসেবে পরিচিত করানো হয় না। এটি একটি জৈব পণ্য, যা উদ্ভিদ বা প্রাণীর ফ্যাট থেকে নেওয়া হয়েছে। গ্লিসারল বা গ্লিসারিন এক ধরনের বর্ণহীন এবং গন্ধহীন সাদা রঙের তরল মিষ্টি এবং স্বাদ বিহীন উপাদান। এটা প্রসাধন শিল্পের পাশাপাশি ওষুধ তৈরির ক্ষেত্রেও ব্যবহার করা হয়ে থাকে। ত্বক পরিচর্যার বিভিন্ন ক্ষেত্রে এটি ব্যবহার করা হয়ে থাকে। আসুন তাহলে জেনে নিন গ্লিসারিনের উপকারিতা গুলি।





৩. কমলা খোসা:



কমলার খোসার ভেতরটা দিয়ে দাঁত ঘষা হচ্ছে, দাঁত সাদা করার একটি নি’রাপদ ও প্রাকৃতিক উপায়। খোসার সাদা অংশ বা অ্যালবেডোতে লিমোনিন থাকে- লিমোনিন হচ্ছে ন্যাচারাল সলভেন্ট ক্লিনার এবং প্রকৃতপক্ষে তা অনেক বাণিজ্যিক দাঁত সাদাকারক প্রোডাক্টে ব্যবহার করা হয়। কমলার মাংসল অংশের মতো এর খোসা অ্যাসিডিক নয়, তাই দাঁতের এনামেল ড্যামেজ হওয়ার কোনো ঝুঁ’কি নেই বলে এটি ব্যবহার করা নি’রাপদ।


৪. তিলের বীজ: 


একমুঠো তিলের বীজ নিয়ে কয়েক মিনিট চিবিয়ে ফে’লে দিন। এর পর দাঁতের ফাঁকে আ’টকে থাকা বীজ বের ক’রতে পেস্ট ছাড়া দাঁত ব্রাশ করুন। এটা হচ্ছে খুব সহজে দাঁতের দাগ দূ’র করার দীর্ঘ মেয়াদি টিপস। নিয়মিত এই কাজ করলে ধীরে ধীরে দাঁতের সমস্ত দাগ দূ’র হয়ে যাবে।




৫. ভিটামিন টুথ মাস্ক: 


ভিটামিন সি সমৃদ্ধ ফল এবং সবজি ভর্তার নামই হচ্ছে ভিটামিন টুথ মাস্ক। এই মাস্ক তৈরি করে দাঁতে লা’গালে দাঁত ঝলমলে পরি’ষ্কার হয়ে যায়। টমেটো, স্ট্রবেরি এবং কমলা ভালো করে বেটে দাঁতের উপর প্রলেপ দিয়ে ৫-৬ মিনিট অপেক্ষা করুন এবং পরে পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এতে শুধু দাঁতই পরি’ষ্কার হবে না, মুখের ক্ষ’তিকর জীবণুও দূ’র হবে।



৬. আপেল সিডার ভিনেগার:




আপেল সিডার ভিনেগারের অনেক স্বা’স্থ্য উপকারিতা রয়েছে (যেমন- এটির অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল গুণ রয়েছে), কিন্তু প্রকৃতপক্ষে এটি যে দাঁত সাদা ক’রতে পারে তা স’স্পর্কে অনেকে অবগত নন। দাঁতের দাগ দূ’র ক’রতে এক টেবিল চামচ আপেল সিডার ভিনেগার দিয়ে দাঁত ব্রাশ করার চেষ্টা ক’রতে পারেন এবং তারপর নির্মল শ্বা’সের জন্য ও মাড়ির ব্যাকটেরিয়া ধ্বং’স করার জন্য আপেল সিডার ভিনেগার দিয়ে কুলকুচা ক’রতে পারেন।


আপেল সাইডার ভিনিগার ঠেকায় বিভিন্ন অসুখ। 

রান্নাবান্নায় এর অবাধ যাতায়াত। তবে শুধু রান্নার ক্ষেত্রেই নয়, আপেল সিডার ভিনিগারের উপকারিতার আরও নানা দিক রয়েছে। ফরাসিতে ভিনিগার শব্দের অর্থ ‘সাওয়ার ওয়াইন’। সাধারণত ভিনিগার বলতে টক ওয়ানইকেই বোঝায়। আপেল সিডার ভিনিগারের ক্ষেত্রে আপেলের রসে ইস্ট ও ব্যাকটিরিয়া মিশিয়ে তাকে প্রস্তুত করা হয়। স্বাস্থ্যকর নানা কারণে এই ভিনিগারকে ডায়েটে রাখার পরামর্শ দেন চিকিৎসকরাও।



প্রথম দফায় আপেলের রসের সঙ্গে ইস্ট ফারমেন্টেড হয়ে আপেলের রসকে অ্যালকোহলে পরিণত করে পরের ধাপে তা অ্যাসিটিক অ্যাসিড দিয়ে ফের ফারমেন্টেড করা হয়। অবশেষে তা ভিনিগারে পরিণত হয়। বিভিন্ন ঘরগৃহস্থালীর কাজে যেমন এই আপেল সিডার ভিনিগার উপকারী, তেমনই শরীরের নানা অসুখবিসুখেও কাজে আসে এটি। এই ভিনিগার সৌন্দর্যরক্ষায়ও কাজে লাগে। কিন্তু ভিনিগার অ্যাসিডিক হওয়ার কারণে তা দৈনিক খাদ্যতালিকায় যোগ করার ক্ষেত্রে কিছু বিধিনিয়ম পালন করা জরুরি।


দিনে বড় চামচের দু’চামচ বেশি আপেল সিডার খাবেন না, খেলেও চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে নেবেন। এ ছাড়া যখনই এই ভিনিগার খাবেন, তা অবশ্যই জলের সঙ্গে মিশিয়ে পাতলা করে ফেলতে হবে। মূলত শরীরচর্চার ক্ষেত্রে এই আপেল সিডারের কথা উঠলে অনেকেই কেবল ইউরিক অ্যাসিড নিয়ন্ত্রণের দিকটাই ভাবেন, তবে এই বিশেষ উপকার ছাড়াও আপেল সিডারের আরও নানা কার্যকর দিক রয়েছে। জানেন সে সব?

আপেল সিডার ভিনিগার রান্না ছাড়াও বিভিন্ন উপকারে লাগে।


এই ভিনিগার ব্যাকটিরিয়া মারতে সক্ষম বলে ডায়রিয়া সমস্যায় বিশেষ উপকারী। এক-দু’ চা চামচ ভিনিগার এক গ্লাস গরম জলে মিশিয়ে খেলে উপকার মিলবে। ডায়াবিটিসের সমস্যায় এই ভিনিগার উপকারী। মূলত ইনসুলিন তৈরি করতে না পারা বা ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্টের কারণেই রক্তে শর্করার পরিমাণ বাড়ে। খাওয়াদাওয়ার আধ ঘণ্টা আগে এক গ্লাস জলে এক চামচ আপেল সিডার মিশিয়ে খেলে রক্তে শর্করার পরিমাণ নিয়ন্ত্রণে থাকে। গলাব্যথার ক্ষেত্রে আধ কাপ ঈষদুষ্ণ জলে দু’চামচ আপেল সিডার ভিনিগার ও মধু মিশিয়ে গার্গল করলে আরাম পাবেন অনেকটা। হজমের সমস্যাতে মেটাতেও এই ভিনিগার খুব কার্যকর। গরম জলে এক চামচ আপেল সিডার ভিনিগারে বদহজম থেকে মুক্তি মেলে সহজেই। শ্যাম্পু করার পর চুল ধুয়ে নিন আপেল সিডার ভিনিগার মেশানো জল দিয়ে। কন্ডিশনারের সমান উপকার পাবেন। চুল নরম হবে, ব্যাকটিরিয়ার উপস্থিতির জন্য খুশকির সমস্যাও কমবে দ্রুত। আপনার বিপাক হার (বিএমআর রেট) কেমন তা জেনে প্রতি দিন কতটুকু আপেল সিডার খেলে ওবেসিটি নিয়ন্ত্রণে আসবে তা জানতে পারবেন। খারাপ কোলেস্টেরল কমাতে ও ভাল কোলেস্টেরলের মাত্রা বাড়াতে আপেল সিডার ভিনিগার খুবই উপকারী।

 

Post a Comment

0 Comments